ঈদের পরেই সব কার্যক্রম চালু করতে পারব
সর্বস্তরের মানুষের জন্য কাজ করবেন নাসের রহমান
প্রকাশিত হয়েছে : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১:১৮ পূর্বাহ্ণ
মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ শপথ নেওয়ার পর মৌলভীবাজারে এসে ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হয়েছেন সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান।
মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা থেকে সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়ক হয়ে সদর উপজেলার গিয়াসনগর বাজারে প্রবেশ করলে জেলা, উপজেলা, পৌর বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা তাকে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করেন।
শুভেচ্ছা গ্রহণের পর এম নাসের রহমান একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে জেলা শহর প্রদক্ষিণ করেন।
গাড়িতে দাঁড়িয়ে তিনি হাত নেড়ে সর্বস্তরের জনতার শুভেচ্ছার জবাব দেন। সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ মানুষও হাত নেড়ে তাকে অভিনন্দন জানান।
শহর প্রদক্ষিণ শেষে নিজ বাড়ি বাহারমর্দানে পৌঁছে সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী মরহুম এম সাইফুর রহমানের কবর জিয়ারত করেন এম নাসের রহমান। জিয়ারত শেষে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ ফুলের তোড়া দিয়ে তাকে বরণ করেন।
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এম নাসের রহমান বলেন, “বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচনের আগে যেসব প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, সেগুলো ইতিমধ্যে পাইলট প্রজেক্টের মাধ্যমে শুরু হয়ে গেছে। বিশেষ করে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড আর খাল খনন কর্মসূচি সারা বাংলাদেশে শুরু হয়েছে। আমাদের মৌলভীবাজারেও এই কর্মসূচি হবে। সেই সঙ্গে আমরা ভৌত অবকাঠামো, রাস্তাঘাট ও ব্রিজের কাজ শুরু করব।”
তিনি আরও বলেন, “বিএনপি সরকার ক্ষমতায় বসার পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই যে কৃষক কার্ড আর ফ্যামিলি কার্ড, এটার পাইলট প্রজেক্ট বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছেন। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে অনেক থানায় ও ওয়ার্ডে এটি শুরু হবে। মৌলভীবাজার-রাজনগরসহ সারা জেলা এ থেকে বাদ পড়বে না। এসব কর্মকাণ্ড দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী কমিটি গঠন করে দিয়েছেন।”
এম নাসের রহমান বলেন, ‘খাল খননের জন্য বাছাই করে প্রকল্প নেওয়া হবে যাতে কৃষি উৎপাদনে সহায়ক হয়। এ ছাড়া গ্রামীণ অবকাঠামো, রাস্তাঘাট সংস্কারে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি এবং সুপেয় পানির জন্য গ্রামে ডিপ টিউবওয়েল স্থাপনে কাজ করব। ১২ মার্চ সংসদের প্রথম অধিবেশন বসবে। আশা করছি ঈদের পরেই সব কার্যক্রম চালু করতে পারব। আমাকে যারা ভোট দিয়েছেন এবং যারা দেননি ইনশাআল্লাহ তাদের সবার জন্যই আমি কাজ করব। মসজিদের ইমাম, মোয়াজ্জিন ও পুরোহিতের সম্মানী ভাতা দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। আগামী জুলাই থেকে রাস্তাঘাটের কাজ শুরু হবে।”
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. ফয়জুল করিম ময়ূন, সিনিয়র সদস্য আলহাজ মো. আবদুল মুকিত, মৌলভী আবদুল ওয়ালী সিদ্দিকী, মোশাররফ হোসেন বাদশা, আশিক মোশাররফ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, জেলা বিএনপির সদস্য মিসবাহ উর রহমান, মো. ফখরুল ইসলাম, মো. হেলু মিয়া, মতিন বকস, শ্যামলী সূত্রধর, মাহমুদুর রহমান, অ্যাডভোকেট বকসী জুবায়ের, সেলিম সালাউদ্দিন, স্বাগত কিশোর দাশ চৌধুরী, মো. বদরুল আলম, আয়াছ আহমেদ, এম ইদ্রিস আলী প্রমুখ।
আরও উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মুজিবুর রহমান মজনু, সাধারণ সম্পাদক মো. মারুফ আহমেদ, সিনিয়র সহসভাপতি সাদিকুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সফিউর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজল মাহমুদ, পৌর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি সারওয়ার মজুমদার ইমন, সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার আহমদ রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন কামাল, সাংগঠনিক সম্পাদক রেজা করিম, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এম এ মোহিত, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব আহমেদ আহাদ, জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক শামীম আহমেদ, সদস্যসচিব মোনাহিম কবীর, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. রুবেল মিয়া, সাধারণ সম্পাদক আকিদুর রহমান সোহান, ছাত্র নেতা জনি আহমেদ, জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী ডা. দিলশাদ পারভীন, সাংগঠনিক সম্পাদক সুফিয়া সুলেমান কলিসহ অঙ্গসংগঠনের অসংখ্য নেতাকর্মী।
পূর্বদিক/ ডেস্ক/ টিকে





