logo
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • স্থানীয় সরকার
    • মৌলভীবাজার
    • সিলেট
  • সাহিত্য-সংস্কৃতি
  • পর্যটন
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • আরও
    • ইসলামী জিন্দেগী
    • পত্রিকা
    • মুক্তমত
    • শিক্ষাঙ্গন
    • সাফল্য
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • মৌলভীবাজার
  • সিলেট
  • প্রবাস
  • অর্থ ও বাণিজ্য
  • স্থানীয় সরকার
  • খেলাধুলা
  • ছড়া সমগ্র
  • পর্যটন
  • নারী ও শিশু
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • বিনোদন
  • মুক্তমত
  • সম্পাদকীয়
  • ইসলামী জিন্দেগী
  • শিক্ষাঙ্গন
  • সাফল্য
  • সাহিত্য-সংস্কৃতি
  • স্বাস্থ্য-কথন
  • পত্রিকা
  • ফটোগ্যালারী
  1. প্রচ্ছদ
  2. অর্থ ও বাণিজ্য

বেড়েছে ঋণের বোঝা : বিশ্বব্যাংক
ড. ইউনুসের সময়ে ৩০ লাখ দরিদ্র হয়েছেন


প্রকাশিত হয়েছে : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৪৩ অপরাহ্ণ

শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের একটি বিখ্যাত দর্শন হচ্ছে ‘দারিদ্র্যকে জাদুঘরে পাঠানো’। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নিয়ে দারিদ্র্য বিমোচনের একটি দারুণ সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। বাস্তবতা হচ্ছে—সে সুযোগটি তিনি কাজে লাগাতে পারেননি। তার আমলে দেশে নতুন করে ৩০ লাখ লোক দরিদ্র হয়েছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন থেকে সৃষ্ট গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন। ঠিকভাবে দায়িত্ব সামাল দিতে নিজের পছন্দমতো উপদেষ্টা পরিষদ ও বিশেষ সহকারী নিয়োগ দেন। উপরন্তু বিএনপি-জামায়াত-এনসিপিসহ অভ্যুত্থানের পক্ষের রাজনৈতিক ও ছাত্র শক্তিগুলোর ব্যাপক সমর্থন ছিল তার প্রতি। যে কারণে ঘুনে ধরা রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় ব্যাপক সংস্কারের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন, দুর্নীতি প্রতিরোধ, ব্যবসাবাণিজ্যসহ আর্থিক খাতে স্থিতিশীলতা আনার পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা তৈরির ব্যাপক সুযোগ ছিল ড. ইউনূসের। তিনি সেই সুযোগ নিতে ব্যর্থ হয়েছেন।

বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর আবদুল বায়েস বলেন, ‘তিনি একজন অর্থনীতিবিদ হিসেবে সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশের মানুষের প্রত্যাশা ছিল বিপর্যস্ত অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে। অথচ তার সময়ে অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়েছে। প্রবাসী আয় ও রিজার্ভ বৃদ্ধি ছাড়া অর্থনীতির সব সূচকই ছিল নিম্নমুখী।

ব্যবসাবাণিজ্যে ছিল আস্থার সংকট। শিল্প-কারখানাগুলোর উৎপাদন ছিল নিম্নমুখী। না ছিল কোনো নতুন উদ্যোগ, না এসেছে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ। উল্টো দেশে বেকারত্ব ও গরিব মানুষের সংখ্যা বেড়েছে। আন্তর্জাতিক সংস্থা বিশ্বব্যাংকের হিসাবে প্রায় ৩০ লাখ নতুন দরিদ্র্য হয়েছে ড. ইউনূসের আমলে।

ব্যক্তি খাতের গড় বিনিয়োগ চার দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন : ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত বেসরকারি খাতের গড় বিনিয়োগ হার ছিল জিডিপির ২৪ শতাংশ। ২০২৫ সালের জুনে তা কমে ২২ দশমিক ৪৮ শতাংশে নেমে আসে। বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ এক বছরে প্রায় ১ দশমিক ৫ শতাংশ পয়েন্ট পতনের ঘটনাটি ছিল গত চার দশকের মধ্যে নজিরবিহীন।

১০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন এডিপি : শুধু যে বেসরকারি বিনিয়োগ কমেছে তা নয়, সরকারি বিনিয়োগ গত ১০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডির প্রতিবেদন অনুযায়ী, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি বাস্তবায়ন ছিল গত ১০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। সরকারি বিনিয়োগ হিসেবে প্রচলিত এডিপি বাস্তবায়নের হার জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ছিল সাড়ে ১১ শতাংশ। গত ১০ বছরে এর চেয়ে কম এডিপি বাস্তবায়ন হয়নি।

খেলাপি ঋণের হার বিশ্বে সর্বোচ্চ : ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর প্রান্তিক শেষে (৩০ সেপ্টেম্বর) দেশের ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের স্থিতি ৬ লাখ ৪৪ হাজার ৫১৫ কোটি টাকায় ঠেকেছে, যা বিতরণকৃত ঋণের ৩৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ। আগের বছরের ডিসেম্বর শেষেও বিতরণকৃত ঋণের ২০ দশমিক ২ শতাংশ খেলাপি ছিল। এর মধ্যেই ব্যাংক খাতে যে পরিমাণ খেলাপি ঋণ বেড়েছে তা নজিরবিহীন। গবেষণা সংস্থার তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, বাংলাদেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের হার এখন বিশ্বে সর্বোচ্চ।

২৩ লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা : নির্বাচিত সরকারের ঘাড়ে ২৩ লাখ কোটি টাকা ঋণের বোঝা রেখে বিদায় নিলেন ড. ইউনূস। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুসারে, ২০২৪-২৫ অর্থবছর শেষে দেশি-বিদেশি উৎস থেকে নেওয়া সরকারি ঋণের পরিমাণ ছিল ২২ লাখ ৫০ হাজার ৯০৪ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বর মেয়াদে ব্যাংকিং উৎস থেকে ৬১ হাজার ১৪৮ কোটি টাকা নিয়েছে ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার। এ ছাড়া আলোচ্য সময়ে আরও প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকার বিদেশি ঋণ নেওয়া হয়েছে।

মজুরি হারের চেয়ে মূল্যস্ফীতি বেশি : ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৮ দশমিক ৫ শতাংশ। একই সময়ে মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৮ দশমিক ১ শতাংশের নিচে। দেখা যাচ্ছে, ভোক্তার মজুরি বাড়ার হারের চেয়ে মূল্যস্ফীতির হার এখনো বেশি। এ কারণে মানুষের আয়ের চেয়ে খরচ হচ্ছে বেশি। কমেছে ক্রয়ক্ষমতা। অথচ মূল্যস্ফীতি কমাতে সরকার নীতিনির্ধারণী সুদের হার বাড়িয়ে রেখেছে। এর ফলে ব্যাংক ঋণের সুদের হার বেড়ে গেছে। বেসরকারি খাতের ঋণ সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গেছে। বেড়েছে ব্যবসাবাণিজ্যে পরিচালন ব্যয়।

অর্থনীতির সব সূচকে যখন বিপর্যয় নেমে এসেছে তখন বেড়েছে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুত। ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার বিদায়ি ভাষণে এ রিজার্ভ বৃদ্ধির বিষয়টি গৌরবের সঙ্গে উল্লেখ করেছেন। অর্থনৈতিক অবস্থার বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘এখন যাওয়ার সময় স্বস্তি পাচ্ছি যে, আমরা অবস্থার মোকাবিলা করতে পেরেছি।

আমাদের রিজার্ভের পরিমাণ এখন ৩৪ বিলিয়ন ডলার। প্রবাসীদের রেমিট্যান্সের টাকায় রিজার্ভ বাড়ছে। খাদ্য মূল্যস্ফীতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।’

ড. ইউনূসের এ রিজার্ভ রাজনীতির সমালোচনা করে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত শিক্ষক ও গবেষক ড. লুবনা তুরীন তার ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন, রিজার্ভ কোনো রাষ্ট্রের লক্ষ্য না, এটা একটা উপকরণ। লক্ষ্য হওয়া উচিত উৎপাদন সক্ষমতা, কর্মসংস্থান, খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা এবং সর্বোপরি নীতিগত স্বাধীনতা। রিজার্ভ বাড়ছে কি না এ প্রশ্নের চেয়েও কনসার্নিং হচ্ছে, এ রিজার্ভ কোন দামে তৈরি হচ্ছে, কার ক্ষতির বিনিময়ে এবং ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রকে কোন কাঠামোয় আটকে রেখে। এ গবেষকের মতে, বিদ্যুৎ উৎপাদন কমিয়ে, আমদানি সংকুচিত করে, শিল্প খাতকে চাপে ফেলে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে রাষ্ট্রকে ‘শক্ত’ দেখানের জন্যই রিজার্ভ বাড়ানোর দিকে মনোযোগী ছিলেন ড. ইউনূস।

প্রতিশ্রুতি, দায় ও সুবিধা গ্রহণ : দায়িত্ব গ্রহণ করে জাতির উদ্দেশে দেওয়া প্রথম ভাষণে ড. ইউনূস প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করবেন, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ নিশ্চিত করবেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানকে সফল পরিণতি দিতে প্রশাসন, বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচনি ব্যবস্থা, আইনশৃঙ্খলা খাত এবং তথ্যপ্রবাহে প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পূর্ণ করে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করবেন, যার লক্ষ্য হবে দুর্নীতি, লুটপাট ও গণহত্যার বিরুদ্ধে একটি জবাবদিহিমূলক রাজনৈতিক বন্দোবস্তের সূচনা। সংশ্লিষ্টদের মতে, একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠান ছাড়া তিনি তাঁর দেওয়া সব প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারেননি। তাঁর আমলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। দুর্নীতির অভিযোগ তাঁর সরকারের উপদেষ্টার ব্যক্তিগত কর্মকর্তাকে সাসপেন্ড করাও হয়েছে। দুদক অভিযোগ তদন্ত করছে। অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা যে সম্পদের হিসাব দিয়েছেন তা নিয়েও রয়েছে জনমনে সন্দেহ ও বিস্তর প্রশ্ন। এমনকি তিনি প্রধান উপদেষ্টা পদে আসীন থেকে তার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে কর ছাড়াসহ বিভিন্ন সুবিধা দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে থাকা শ্রম আইন লঙ্ঘন ও অর্থ পাচারের মামলা দ্রুত খারিজ হয়ে যাওয়ায় স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তাঁর প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংকের কর মওকুফ ও সরকারিভাবে ব্যাংকে শেয়ারের পরিমাণ ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। এ ছাড়া গ্রামীণ গ্রুপের কয়েকটি প্রতিষ্ঠান দ্রুত সরকারি অনুমোদন ও বিশেষ সুবিধা পায়। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকা শহরে গ্রামীণ ইউনিভার্সিটির অনুমোদন, গ্রামীণ এমপ্লয়মেন্ট সার্ভিসেসের জনশক্তি রপ্তানির লাইসেন্স, গ্রামীণ টেলিকমের ডিজিটাল ওয়ালেট চালুর অনুমতি।

সচেতন মহলের অভিমত, ড. ইউনূস বিদায়ি ভাষণে কতগুলো অধ্যাদেশ জারি করেছেন আর কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন তা প্রচার করলেও এসব সুবিধা নেওয়ার বিষয়ে কোনো জবাব দেননি। ১৮ মাস অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধানের দায়িত্বে থাকলেও তিনি দেশের গণমাধ্যমের সঙ্গে সরাসরি কোনো সংবাদ সম্মেলন করেননি। কেবলমাত্র তাঁর পছন্দের কিছু সাংবাদিকের সঙ্গে তিনি কথা বলেছেন, সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। ১১টি সংস্কার কমিশন করে হাজার হাজার পৃষ্ঠার সুপারিশ নিয়ে রাষ্ট্রের টাকায় ঢাউস সাইজের গ্রন্থ প্রণয়ন করলেও সেসব সংস্কারে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেননি। তাঁর আমলে দেশের দুটি প্রধানসারির গণমাধ্যমে ভিতরে সাংবাদিক রেখে মব সৃষ্টি করে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তিনি সরাসরি কোনো নির্দেশনা দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। ভিন্ন মত পোষণের কারণে তাঁর আমলেও একাধিক সাংবাদিককে জেলে পাঠানো হয়েছে। ধর্মীয় ঘৃণা ছড়ানোর পাশাপাশি মাজার-মন্দির ভাঙার ঘটনা ঘটেছে। ঘটেছে বিচারবহির্ভূত হত্যকাণ্ড। ধর্মের দোহাই দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। তাঁর সময়ে মব সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রমাণ ও নথিপত্রসহ অনেক ভাস্কর্য বিনষ্ট হলেও তিনি নীরব থেকেছেন। তিনি বিশ্বব্যাপী যে ‘তিন শূন্য’ (শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব, শূন্য কার্বন নিংসরণ) নিয়ে প্রচারণা চালিয়েছেন, নিজে সরকার প্রধানের দায়িত্বে থেকেও তা অর্জন করতে পারেননি। বরং তার সময়ে দারিদ্র্য ও বেকারত্ব দুটোই বেড়েছে। এসব কিছুর পর ড. ইউনূস যখন আবারও তার পুরোনো কর্মে ফিরে যাবেন তখনো কি তিনি এই ‘তিন শূন্য’ অর্জনে বিশ্বকে মনোযোগ দেওয়ার কথা দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে পারবেন? সচেতন মহলের এখন সেটিই জিজ্ঞাসা।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

 

পূর্বদিক/ডেস্ক/টিকে

অর্থ ও বাণিজ্য এর আরও খবর
<span style='color:red;font-size:16px;'>১২ কেজি এলপিজিতে ১৫ টাকা কমলো</span>	 <br/> এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম কমলো

১২ কেজি এলপিজিতে ১৫ টাকা কমলো
এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম কমলো

চাকুরি হারিয়ে এখন সফল বরই চাষি গিয়াস উদ্দিন

চাকুরি হারিয়ে এখন সফল বরই চাষি গিয়াস উদ্দিন

<span style='color:red;font-size:16px;'>ফিনান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদন</span>	 <br/> শেখ হাসিনার দোসররা লুট করেছেন ১৭ বিলিয়ন ডলার

ফিনান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদন
শেখ হাসিনার দোসররা লুট করেছেন ১৭ বিলিয়ন ডলার

মৌলভীবাজার আইসিবি ইসলামি ব্যাংকে গেলেই টাকা নেই! 

মৌলভীবাজার আইসিবি ইসলামি ব্যাংকে গেলেই টাকা নেই! 

মৌলভীবাজারে আইসিবি ব্যাংকে তিন ঘন্টা তালা! 

মৌলভীবাজারে আইসিবি ব্যাংকে তিন ঘন্টা তালা! 

সর্বশেষ সংবাদ
মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালকে মেডিকেল কলেজে রূপান্তরের প্রস্তাব
মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালকে মেডিকেল কলেজে রূপান্তরের প্রস্তাব
<span style='color:red;font-size:16px;'>শতবর্ষী ঐতিহ্যের টান</span>	 <br/> ছয়চিরি দিঘীর পাড়ে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী চড়ক পূজা ও মেলা
শতবর্ষী ঐতিহ্যের টান
ছয়চিরি দিঘীর পাড়ে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী চড়ক পূজা ও মেলা
শ্রীমঙ্গলে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে বিএনপি নেতার মামলা, প্রতিবাদে সমাবেশ ও মানববন্ধন
শ্রীমঙ্গলে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে বিএনপি নেতার মামলা, প্রতিবাদে সমাবেশ ও মানববন্ধন
বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছে বাংলাদেশ কবীর পন্তী পাইনকা সমাজ
বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছে বাংলাদেশ কবীর পন্তী পাইনকা সমাজ
জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ
জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ
পাহাড়ে বর্ণিল আয়োজনে নদীতে ফুল ভাসিয়ে উদযাপিত হচ্ছে চাকমা সম্প্রদায়ের ফুল বিঝু
পাহাড়ে বর্ণিল আয়োজনে নদীতে ফুল ভাসিয়ে উদযাপিত হচ্ছে চাকমা সম্প্রদায়ের ফুল বিঝু
শ্রীমঙ্গলে বর্ষবরণ ও বৈশাখী শোভাযাত্রা: চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি
শ্রীমঙ্গলে বর্ষবরণ ও বৈশাখী শোভাযাত্রা: চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি
প্রয়াত কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোসলে, বয়স হয়েছিল ৯২
প্রয়াত কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোসলে, বয়স হয়েছিল ৯২
নিজেকে প্রমাণের মঞ্চ ‘তুমি আমি শুধু’: জেফার
নিজেকে প্রমাণের মঞ্চ ‘তুমি আমি শুধু’: জেফার
পিএসএলে ইমনের ইতি, আজই দেশে ফিরছেন
পিএসএলে ইমনের ইতি, আজই দেশে ফিরছেন
পরোক্ষ আলোচনা শেষে মুখোমুখি বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান
পরোক্ষ আলোচনা শেষে মুখোমুখি বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান
বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনে এলো আরও ৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল
বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনে এলো আরও ৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল
যুক্তরাষ্ট্রের সাথে দেশ বিরোধী বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ
যুক্তরাষ্ট্রের সাথে দেশ বিরোধী বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ
হুট করে কেন আলোচনায় বাংলাদেশি ওয়েব সিরিজ ‘চক্র ২’?
হুট করে কেন আলোচনায় বাংলাদেশি ওয়েব সিরিজ ‘চক্র ২’?
দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বাড়ছেই: ২৪ ঘণ্টায় মৃ’ত্যু ৪, হাসপাতালে ভর্তি ১,১৭৭
দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বাড়ছেই: ২৪ ঘণ্টায় মৃ’ত্যু ৪, হাসপাতালে ভর্তি ১,১৭৭
হরমুজ প্রণালি পার হতে পারেনি ‘বাংলার জয়যাত্রা’, ৪০ দিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যে আটকা
হরমুজ প্রণালি পার হতে পারেনি ‘বাংলার জয়যাত্রা’, ৪০ দিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যে আটকা
কুলাউড়ায় ভূকশিমইল ইউনিয়ন তালামীযের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত 
কুলাউড়ায় ভূকশিমইল ইউনিয়ন তালামীযের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত 
শ্রীমঙ্গলে যৌথবাহিনীর অভিযানে অবৈধভাবে মজুদ ৮,৫০০ লিটার ভোজ্য তেল জব্দ
শ্রীমঙ্গলে যৌথবাহিনীর অভিযানে অবৈধভাবে মজুদ ৮,৫০০ লিটার ভোজ্য তেল জব্দ
মৌলভীবাজারে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালন
মৌলভীবাজারে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালন
শ্রীমঙ্গলে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে পৌরসভার উচ্ছেদ অভিযান
শ্রীমঙ্গলে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে পৌরসভার উচ্ছেদ অভিযান

© 2025 purbodeek.com

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: আলহাজ্ব মো: চন্দন মিয়া, সম্পাদক : মুজাহিদ আহমদ,
প্রকাশক : আলহাজ্ব হাফিজ সাব্বির আহমদ, উপদেষ্টা মণ্ডলীর সভাপতি : মাও. কামরুল ইসলাম,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: মুহাম্মদ আজির উদ্দিন পাশা, সহযোগী সম্পাদক : সালাহ উদ্দিন ইবনে শিহাব,
সহকারি সম্পাদক: আখতার হোসাইন জাহেদ, মো. রেদওয়ানুল ইসলাম

সম্পাদকীয় কার্যালয়: ২৭০, ওয়াছির প্লাজা, (দ্বিতীয় তলা), চৌমুহনা, এম সাইফুর রহমান রোড, মৌলভীবাজার-৩২০০।
মোবাইল: ০১৭১২৭১৬২৪৪, ০১৭১৯৮৪১৮৬৪, ০১৭০৬৬২৪৬৩২,
ই-মেইল: purbodik11@gmail.com

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh

Go to top