কুলাউড়ায় পৃথিমপাশায় ঠিকাদারের সহযোগির বাড়িতে আগুণ
প্রকাশিত হয়েছে : ১০ আগস্ট ২০২৪, ২:১৮ পূর্বাহ্ণ

কুলাউড়া প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার পৃথিমপাশায় ঠিকাদারের সহযোগি আব্দুল হক এর বাড়িতে আগুণ দিয়েছেন তার সৎ ভাই, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মী, জামায়াত-শিবির ও বিএনপি’র নেতাকর্মীরা। এ অগ্নিকান্ডের ঘটনায় আব্দুল হক এর বাড়ি’র আসবাবপত্র পড়ে ছাই হয় এবং বাড়ির মালামালের ক্ষয়ক্ষতি হয়। ৮ আগস্ট রাতে এই ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, আব্দুল হক আওয়ামীলীগ নেতা ঠিকাদার এস জামান এর সহযোগি হিসাবে কাজ করতেন। ঠিকাদার জামান কুলাউড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি রফিকুল ইসলম রেনুর জামাতা। বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলনের মুখে ৫ আগষ্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে যায়। সেই সাথে সাথে নিজেদের জীবন বাঁচাতে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরাও পালিয়ে যান। কুলাউড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি রফিকুল ইসলম রেনু জীবন বাঁচাতে গোপনে ভারতে পালিয়ে যান। তার সাথে তার জামাতা আওয়ামীলীগ নেতা এস জামান পালিয়ে যান। আওয়ামীলীগের শাসন আমলে রফিকুল ইসলম রেনু ক্ষমতার দাপট কাটিয়ে সাধারণ মানুষকে হেনেস্তা ও হয়রানি করেন। রফিকুল ইসলাম রেনু’র প্রভাবে তার জামাতা এস জামান ওয়ার্কওয়াটার কিংবা ইস্টিমিট অনুযায়ী রাস্তার কাজ করেননি। সরকারি অনেক প্রকল্পে কাজ না করেও বরাদ্দ তোলে নেন। ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে মানুষের সাথে খারাপ আচরণ ও হয়রানি করেন। আব্দুল হক ঠিকাদার এস জামান এর সহযোগি থাকায় এর প্রভাব তার উপরেও পড়ে। ঠিকাদার এস জামান পালিয়ে গেলেও আব্দুল হক পালিয়ে যেতে পারেননি। বিএনপি, জামায়াত-শিবির ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা ক্ষুভে প্রথমে আব্দুল হক এর উপর আক্রমণ করে এবং পরের দিন আব্দুল হক বাড়িতে না থাকায় তার সৎ ভাইদের সার্বিক সহযোগিতায় হামলা করে আগুন লাগিয়ে দেন। আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়। এক পর্যায়ে স্থানীয়রা এসে আগুণ নিয়ন্ত্রণে আনেন।






