তারেক রহমান অনন্য নজির স্থাপন করেছেন
আলোকিত হচ্ছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি
প্রকাশিত হয়েছে : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:২৪ পূর্বাহ্ণ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ২১২ টি আসনে আসনে লাভ করে। তারমধ্যে বিএনপি একাই জয়লাভ করে ২০৯ টি আসনে।
বিএনপি’র এই ভূমিদস বিজয়ের পর বিএনপি’র চেয়ারম্যান ও আগামীর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিরোধীদলীয় বিভিন্ন নেতৃবৃন্দের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করছেন এবং তাদের বাড়ি গিয়ে মিষ্টিমুখ করাচ্ছেন। বাংলাদেশের রাজনীতিতে তার এই রাজনৈতিক সংস্কৃতিক সংস্করণ ভিন্নমাত্রা এনে দিয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বিষয়টিকে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষক, সিনিয়র সাংবাদিক লেখক ও সাহিত্যিক আবদুল হামিদ মাহবুব এবিষয়ে একটি ফেসবুক পোস্ট দিয়েছেন। পাঠকদের জন্য তাঁর পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো-
“ছিদ্রান্বেষণ
আমি জানিনা অতীতে এরকম নজির আছে কিনা। থাকলেও সেটা মনে করতে পারছি না। নির্বাচনের পর বিজয়ী দলের প্রধান পরাজিত দলগুলোর প্রধানের বাসায় গিয়ে এভাবে দেখা করেছেন, শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন, এমন নজির কি আমাদের দেশে আছে?
তারেক রহমানের এমন কর্মের সাধুবাদ জানাই। এটা যদি আন্তরিকতাপূর্ণ কর্ম হয়, তাহলে আরো জোর দিয়ে সাধুবাদ জানাই। আর যদি হয় লোক দেখানো, আলোচিত হওয়ার বিষয়,তবে এটা না করলে তেমন লাভ ক্ষতি কিছুই হত না।
আমার এই লেখায় কেউ কেউ হয়তো রুষ্ট হবেন! তাদেরকে বলি, আমি পেশায় সাংবাদিক ছিলাম, এখনো স্বভাবে সাংবাদিকতা রয়ে গেছে। সকল কিছুতেই ছিদ্রান্বেষণ করি। এই ছোট্ট লেখাও সেরকম কিছু একটা ধরে নিতে পারেন।
সরকারি দল বিরোধী দল সকলের মধ্যে দেশের প্রশ্নে সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক থাকলে দেশ এগোবেই। এই দেশটা আমাদের সবার। সকল কিছুতে দেশের স্বার্থ ও দেশের মানুষের কল্যাণ চিন্তা থাকতে হবে। এই কারণে আমি আমার একটি লেখায় লিখেছি, ‘যারা রাজনীতিকে পেশা ধরে নিজেদের ব্যবসা-বাণিজ্যে উন্নতি করতে চান, তাদেরকে মন্ত্রীত্বের আসনে না বসানোর জন্য।’
আমরা অতীত ঘেটে দেখেছি, সেই পুরনো কালে রাজনীতি তারাই করতেন, যাদের দেশ সেবার মানসিকতা থাকতো। রাজনীতিবিদরা চান দেশের মানুষের কল্যাণ, দেশের কল্যাণ। যারা নিজের কল্যাণ, নিজের স্বজনদের কল্যাণ চিন্তা করে রাজনীতি করেন তারা রাজনীতিবিদ নন। এরা দেশ লুটেরা। দেশটাকে এর লুটেপুটে নিজেদের পেটে ঢুকাবে, মানুষকে করবে শোষণ।
তাই দেশটার সেবা করার মানসিকতায় যারা রাজনীতি করছেন কিংবা করতে চান, তারা সরকারি দল হোক অথবা বিরোধী দল হোক তাদেরকে মূল্যায়নে রাখুন। তবে গৃহপালিত বিরোধী দল বানাবেন না।”
পূর্বদিক/ডেস্ক/টিকে





