দারিদ্র, ভূমিহীন, প্রতিবন্ধীসহ
ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা পাবেন ৬ শ্রেণির মানুষ
প্রকাশিত হয়েছে : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১:১৪ অপরাহ্ণ
মূল্যস্ফীতির চাপ থেকে দরিদ্র ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোকে সুরক্ষা দিতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান সরকার। আগামী ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।
প্রাথমিকভাবে দেশের ১৪টি উপজেলায় এই পাইলট প্রকল্প শুরু হতে যাচ্ছে, যার আওতায় সুবিধাভোগী পরিবারগুলো প্রতি মাসে আড়াই হাজার টাকা করে নগদ আর্থিক সহায়তা পাবে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এরই মধ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং বাস্তবায়ন গাইডলাইন-২০২৬’ নামে একটি নতুন নীতিমালা তৈরি করেছে, যা খুব শিগগিরই প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করা হবে।
বিএনপির অন্যতম নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী শুরু হতে যাওয়া এই কর্মসূচিতে নারীদের ক্ষমতায়নে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় বরাদ্দকৃত নগদ অর্থ সরাসরি পরিবারের নারী সদস্য বা গৃহকর্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হবে, যার পরিমাণ বিদ্যমান অন্যান্য সামাজিক ভাতার চেয়ে বেশি। এই কার্ডের মাধ্যমে প্রতি মাসে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা অথবা সমমূল্যের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ করা হবে এবং পর্যায়ক্রমে এই সহায়তার পরিমাণ আরও বাড়ানো হবে। কর্মসূচিটিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং অনিয়ম রোধে জাতীয় পরিচয়পত্রের ভিত্তিতে একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেস তৈরি করা হচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি পরিবারের জন্য কেবল একটি কার্ডই ইস্যু করা হবে।
সুবিধাভোগী নির্বাচনের ক্ষেত্রে ভূমিহীন, গৃহহীন, প্রতিবন্ধী সদস্য থাকা পরিবার এবং হিজড়া, বেদে ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মতো অনগ্রসর শ্রেণিসহ সাত ধরনের পরিবারকে অগ্রাধিকার তালিকায় রাখা হয়েছে। পাশাপাশি যেসব পরিবারের দশমিক ৫ একর বা তার কম জমি রয়েছে তারাও এই সুবিধা পাবেন। নির্বাচিত ওয়ার্ডগুলোতে সরেজমিন যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে মূলত হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারগুলোকেই এই সহায়তার জন্য চূড়ান্ত করা হবে। তবে পরিবারের কেউ সরকারি চাকরিজীবী বা পেনশনভোগী হলে, বাড়িতে এসি বা গাড়িসহ বিলাসবহুল সম্পদ থাকলে এবং বড় ব্যবসার মালিকানা থাকলে তারা এই ফ্যামিলি কার্ডের আওতাভুক্ত হবেন না।
পূর্বদিক /ডেস্ক/ টিকে





