মৌলভীবাজারে বহুল আলোচিত একটি ডাকাতি মামলায় ১৩ আসামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
প্রকাশিত হয়েছে : ৫ মে ২০২৬, ১১:৪৩ অপরাহ্ণ

এআই দিয়ে তৈরি প্রতীকী ছবি।
নিজস্ব প্রতিবেদক: মৌলভীবাজারে বহুল আলোচিত একটি ডাকাতি মামলায় ১৩ জন আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দণ্ডবিধির ৩৯৫ ধারায় প্রত্যেককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও এক বছর করে সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট নিয়ামুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৩য় আদালতের বিচারক শামসাদ বেগম এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীরা হলেন—মিলন, রাহেল, দুলাল, শাহেদ, সেলিম, সাতির, জুনাব আলী, কামাল, মকরম, নকুল, খোকন, জাকারিয়া ও জামাল। তাদের সবার বাড়ি কুলাউড়া থানার বিভিন্ন গ্রামে।
রায় ঘোষণার সময় তিনজন আসামী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাদের তাৎক্ষণিকভাবে সাজা পরোয়ানামূলে কারাগারে পাঠানো হয়। বাকি আসামীরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি কুলাউড়া উপজেলার কর্মদা গ্রামের বাসিন্দা মো. মারুফ আহমদের বসতবাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তিনি কুলাউড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর পর এ মামলার রায় ঘোষণা হলো।
তবে একই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ধর্ষণের অভিযোগে পৃথক চার্জশিটের ভিত্তিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে আরেকটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
অ্যাডভোকেট নিয়ামুল হক বলেন, “এ ধরনের রায় অপরাধ দমনে দৃষ্টান্ত হিসেবে কাজ করবে। ডাকাতি একটি গুরুতর অপরাধ, যা ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজে গভীর প্রভাব ফেলে। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি অপরাধ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”
পূর্বদিক/এসএ






