গণভবনের দৈত্য গানটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল
প্রকাশিত হয়েছে : ২৩ নভেম্বর ২০২৫, ১১:৫৭ অপরাহ্ণ
মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ গণভবনের দৈত্য’ নামে একটি মিউজিক ভিডিও দেশ-বিদেশের বাংলা ভাষাভাষীদের মাঝে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। গত ১৯ নভেম্বর (বুধবার) ফেসবুক, ইউটিউব, ইস্টগ্রাম ইত্যাদি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই মিউজিক ভিডিও আপলোড করা হয়।
মিউজিক ভিডিও’র লিরিক্স (গান)লিখেছেন দেশের খ্যাতিমান ছড়াকার ও প্রবীণ সাংবাদিক আবদুল হামিদ মাহবুব। আবদুল হামিদ মাহবুব জানান, ‘তিনি ফ্যাসিস্ট শাসক শেখ হাসিনাকে দৈত্যের সাথে তুলনা করে তার শাসনকালের কিছু চিত্র তুলে ধরে একটি কিশোর কবিতা লিখেছিলেন। সেই কবিতা অস্ট্রেলিয়ার সিডনীতে বসবাসকারী সঙ্গীতপ্রেমি একজন গানে রূপ দিয়ে মিউজিক ভিডিও বানানোর অনুমতি চান।আমি অনুমতি দিই। এখন দেখছি কবিতাটি গানে রূপ পাওয়ায় অভূতপূর্ব সাড়া পড়ে গেছে।ফ্যাসিস্ট হাসিনার দোসরদের কেউ কেউ মিউজিক ভিডিও দেখে আমাকে হুমকিও দিচ্ছন।’
এই মিউজিক ভিডিওটি এনিমেশন ও এডিটিং করেছেন : রাজিব জাহান ফেরদৌস। এটি রাজিব জাহান ফেরদৌসের কোরাস, মিউজিক প্রোডাকশন থেকে তার নিজের নামের (Razib Jahan Ferdous) একাউন্ট পেজে আপলোড করা হয়েছে।
ইতোমধ্যে মধ্যে মিউজিক ভিডিও মিলিয়ন ভিউ ছাড়িয়ে গেছে।শেয়ার হয়েছে কয়েক হাজার। দেশ বিদেশের বাংলা ভাষাভাষীদের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
ফেসবুকে, ইউটিউব, ইস্টগ্রামে আপলোড করা মিউজিক ভিডিও’তে এপর্যন্ত হাজারের উপর মন্তব্য হয়েছে। ফেসবুকে একটি মন্তব্যে তহুরা আক্তার লিখেছেন, ‘এই সেই গান যে গানে আছে হাজারো মায়ের কান্নার সুর। হাজারো স্টুডেন্টদের অপূর্ণ স্বপ্ন। হাজারো মানুষের আহাজারি। তাদের আত্মারা যেনো নিজে এই গানের মাধ্যমে আমাদেরকে তাদের কষ্টের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। মনে করাচ্ছে তাদের নিজ গ্রাম ছেড়ে শহরে এসে কষ্ট করে পড়ালেখা করে স্বপ্ন পূরনের অপূর্ণ আশা। এই গানের মধ্যেই তাদের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে তারা, এ দেশের মাটির নিচে হাজারো মায়ের আদরের সন্তানরা ঘুমিয়ে আছে। কেউ পরিচয় পেয়ে, কেউ বে ওয়ারিশ লাশ হিসেবে। আবার কেউ গুম হয়ে মরে গিয়ে। ধন্যবাদ তাদের যারা এই গানটি বানিয়েছেন। আমরা এই গানের মধ্যেই তাদেরকে হাজার বছর ধরে মনে রাখবো। মনে রাখবো তাদের স্বপ্নের জন্য লড়াই করে মারা যাওয়ার কথা। মনে রাখবো জালিম হাসিনার কথা গেঁথে থাকবে ইতিহাসের পাতায় পাতায়। ভুলবোনা আমরা ভুলবোনা তাদের আহাজারি।’ মোহাম্মদ রাকিব লিখেছেন ‘এটা শিশুেদের গল্পের বইয়ে লেখা হোক। যাতে আগামী প্রজন্মের পর প্রজন্ম এই ডাইনিকে মনে রাখে।’
ইউটিউবে চট্টমোট্ট নাম দিয়ে একজন মন্তব্যে করেছেন, এসব ভুয়ামি পাবলিক বেশিদিন গিলবেনা, ‘আগে হাসিনার মত বিদ্যুত, মেট্টোরেল, পদ্মাসেতু, এক্সপ্রেস হাইওয়ে, কৃষি স্বনির্ভরতার সক্ষমতা তৈরি করে তারপর চাপাবাজি করিয়েন।’
রওশন সাবিনা লিখেছেন, ‘এমন সত্য, ন্যায় প্রতিষ্ঠা পাক দেশটাতে। দেশের মানুষ গাঁজার ঘোরে যেন সামনে না পড়ে। ন্যায়,নিষ্ঠ, সত্যের পথে লড়তে পারে এমন একজন সুশাসক দেশ পরিচালনায় আসুক। গানের এই গল্পের যেন আর পুনরাবৃত্তি না হয়। সবাই কে অত্যন্ত সজাগ থাকতে হবে।’
গানের লিংক





