জুড়ীতে গর্ভবতী মা ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের উদ্বোধন
প্রকাশিত হয়েছে : 13 October 2026, 7:38 pm

ছবি: পূর্বদিক
জুড়ী প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার ফুলতলা ইউনিয়নের এলবিনটিলা খাসি পুঞ্জিতে গর্ভবতী মা ও নবজাতক শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক সংস্থা কম্প্যাশন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সহযোগিতায় পরিচালিত মধ্য ও দক্ষিণ বাংলাদেশ শিশু উন্নয়ন প্রকল্পের (বিডি-০৪৩০) উদ্যোগে এ কার্যক্রম চালু করা হয়।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে প্রকল্প কার্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কার্যক্রমটির উদ্বোধন করেন জুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ফজলে রাব্বানী চৌধুরী।
এর আগে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন কম্প্যাশন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সহযোগী সংস্থা লুমডনবক ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের (এলডিএফ) প্রধান নির্বাহী মিসেস লাভলী সুছিয়াং। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রকল্পের সমাজকর্মী মাইকেল নংরুম।
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ফুলতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল আলিম সেলু, কম্প্যাশন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সিলেট ক্লাস্টারের প্রোগ্রাম ফ্যাসিলিটেটর (পিএফ) যাকোব মুনুরু দাস এবং এলডিএফের প্রকল্প সমন্বয়কারী ডেন্টিনা মারলিয়া।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রকল্পের চেয়ারম্যান সুউইং আমলেনরং, এলডিএফের সদস্য মারশিফুল আমলেনরং, প্রকল্প ব্যবস্থাপক ডিকো সুরং, প্রকল্প পরিচালনা কমিটির সদস্য লক্ষী পঃথিমি ও ছেনমন তালাংসহ প্রকল্পের কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও মো. ফজলে রাব্বানী চৌধুরী বলেন, একটি সুস্থ, সুন্দর ও সমৃদ্ধ জাতি গঠনে গর্ভবতী মায়ের সুস্বাস্থ্য, নিরাপদ মাতৃত্ব, নবজাতকের যথাযথ যত্ন এবং শিশুর সঠিক বিকাশ নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, শুধু সরকারি উদ্যোগের মাধ্যমে শিশুদের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। এ জন্য পরিবার, সমাজ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, স্বাস্থ্য বিভাগ ও উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলোর সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
গর্ভবতী মা ও নবজাতক শিশুদের কল্যাণে এ ধরনের কার্যক্রম গ্রহণ করায় কম্প্যাশন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ও লুমডনবক ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনকে সাধুবাদ জানান তিনি।
ইউএনও আশা প্রকাশ করেন, এ কার্যক্রমের মাধ্যমে গর্ভবতী মা ও নবজাতক শিশুদের স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা বাড়বে এবং মা ও শিশুর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে এটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।





