logo
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • স্থানীয় সরকার
    • মৌলভীবাজার
    • সিলেট
  • সাহিত্য-সংস্কৃতি
  • পর্যটন
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • আরও
    • ইসলামী জিন্দেগী
    • পত্রিকা
    • মুক্তমত
    • শিক্ষাঙ্গন
    • সাফল্য
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • মৌলভীবাজার
  • সিলেট
  • প্রবাস
  • অর্থ ও বাণিজ্য
  • স্থানীয় সরকার
  • খেলাধুলা
  • ছড়া সমগ্র
  • পর্যটন
  • নারী ও শিশু
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • বিনোদন
  • মুক্তমত
  • সম্পাদকীয়
  • ইসলামী জিন্দেগী
  • শিক্ষাঙ্গন
  • সাফল্য
  • সাহিত্য-সংস্কৃতি
  • স্বাস্থ্য-কথন
  • পত্রিকা
  • ফটোগ্যালারী
  1. প্রচ্ছদ
  2. জাতীয়

সাজা কমিয়ে সাঈদীর আমৃত্যু কারাদণ্ড


প্রকাশিত হয়েছে : 17 September 2014, 5:31 am

a97dd2afb95392c31c82d522db0f00d5

পূর্বদিক ডেস্ক ::

মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে আমৃত্যু কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।
সংখ্যাগরিষ্ঠ মতে আসামি ও রাষ্ট্রপক্ষের করা দুটি আপিল আংশিক মঞ্জুর করে এ রায় দেওয়া হয়।
প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ আজ বুধবার এ রায় দেন।
বেঞ্চের অপর চার বিচারপতি হলেন বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা, বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্‌হাব মিঞা, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী।
মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে গত বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি সাঈদীকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। ট্রাইব্যুনালে সাঈদীর বিরুদ্ধে গঠিত ২০টি অভিযোগের মধ্যে আটটি প্রমাণিত হয়।
এই মামলায় আসামিপক্ষ ও রাষ্ট্রপক্ষের করা দুটি আপিলের ওপর শুনানি শেষে গত ১৬ এপ্রিল আপিল বিভাগ রায় অপেক্ষমাণ রাখেন। এর ঠিক পাঁচ মাসের মাথায় আজ রায় ঘোষণা করা হলো।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে প্রকাশিত আপিল বিভাগের আজকের কার্যতালিকার ১ নম্বর ক্রমিকে এ রায় ঘোষণার জন্য রাখা হয়।
আজ সকাল ১০টা পাঁচ মিনিটে এজলাসে আসেন প্রধান বিচারপতিসহ বেঞ্চের অপর চার বিচারপতি। সকাল ১০টা সাত মিনিটে রায় দেওয়া শুরু হয়। শেষ হয় ১০টা ১০ মিনিটে।

আপিলে ১০, ১৬ ও ১৯ নম্বর অভিযোগে সাঈদীকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেন আপিল বিভাগ। সংখ্যাগরিষ্ঠ মতে ৬, ১১ ও ১৪ নম্বর অভিযোগ থেকে তাঁকে খালাস দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ৮ নম্বর অভিযোগের অংশবিশেষে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতে সাঈদীকে খালাস দেওয়া হয়।
সংখ্যাগরিষ্ঠ মতে ৭ নম্বর অভিযোগে ১০ বছর এবং ৮ নম্বর অভিযোগের অংশবিশেষে তাঁকে ১২ বছর কারাদণ্ড দেন আপিল বিভাগ।

আপিল: ট্রাইব্যুনালের রায়ে ২০টি অভিযোগের মধ্যে আটটিতে দোষী সাব্যস্ত হন সাঈদী। এর মধ্যে একাত্তরে ইব্রাহিম কুট্টি ও বিসাবালীকে হত্যার দায়ে আলাদা দুটি অভিযোগে তাঁকে সর্বোচ্চ সাজা দেওয়া হয়। ওই সাজা থেকে খালাস চেয়ে আপিল করেছিলেন এই জামায়াত নেতা। আর রাষ্ট্রপক্ষ অন্য ছয়টি অভিযোগে সাজা চেয়ে আপিল করে, যেগুলোতে দোষী সাব্যস্ত হলেও ট্রাইব্যুনাল সাজা দেননি।
ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষণার পর গত বছরের ২৮ মার্চ দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষ। তবে ওই সময় কাদের মোল্লার আপিল মামলা বিচারাধীন থাকায় সাঈদীর মামলার শুনানি শুরু হয়নি।
গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর সাঈদীর দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল মামলার কার্যক্রম শুরু হয়, যা ৫০ কার্যদিবসে গত ১৬ এপ্রিল দুই পক্ষের আপিলের শুনানি শেষে রায় অপেক্ষমাণ রাখা হয়।
আপিলে আসামিপক্ষ দাবি করে, ইব্রাহিম কুট্টিকে হত্যার অভিযোগে ট্রাইব্যুনাল সাঈদীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। অথচ ইব্রাহিম কুট্টির স্ত্রী মমতাজ বেগম তাঁর স্বামীকে হত্যার অভিযোগে ১৯৭২ সালে যে মামলা করেছিলেন, তার এজাহারে (এফআইআর) আসামি হিসেবে সাঈদীর নাম ছিল না। পরে পুলিশ ওই মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে, তাতেও সাঈদী আসামি ছিলেন না। ওই অভিযোগপত্রের অনুলিপি আসামিপক্ষ অতিরিক্ত নথি হিসেবে আপিল বিভাগে দাখিল করেছে।
আসামিপক্ষ আরও দাবি করে, একাত্তরে পিরোজপুরে দেলোয়ার হোসেন শিকদার নামের এক রাজাকার ছিলেন, রাষ্ট্রপক্ষ ওই রাজাকারের অপরাধকে সাঈদীর ঘাড়ে চাপাচ্ছে। আর বিসাবালী হত্যাকাণ্ডের দায়ে সাঈদীকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। অথচ বিসাবালীর ভাই সুখরঞ্জনবালী রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী হওয়া সত্ত্বেও আসামিপক্ষে সাক্ষ্য দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁকে অপহরণ করা হয়।
পক্ষান্তরে রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, ইব্রাহিম কুট্টি হত্যাসংক্রান্ত যে নথির কথা আসামিপক্ষ বলছে, তা জাল ও মিথ্যা। বরিশাল ও পিরোজপুরের জেলা জজ আদালতে ওই ধরনের কোনো নথির অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। মামলার প্রয়োজনে আসামিপক্ষ ওই নথি তৈরি করেছে, এ জন্য সেগুলো বিবেচনা না করার আরজি জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ। আর সুখরঞ্জনবালীকে অপহরণের ঘটনাও আসামিপক্ষের তৈরি করা। কারণ, ওই ধরনের কোনো ঘটনাই ঘটেনি।

ট্রাইব্যুনালের রায়: মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে গত বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি সাঈদীকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। বিচারপতি এ টি এম ফজলে কবীরের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ রায় দেন।
সাঈদীর বিরুদ্ধে গঠিত ২০টি অভিযোগের মধ্যে আটটি অভিযোগ প্রমাণিত হয়। এগুলো হলো: ৬, ৭, ৮, ১০, ১১, ১৪, ১৬ ও ১৯ নম্বর অভিযোগ।
এর মধ্যে ৮ ও ১০ নম্বর অভিযোগ হত্যার, ১৪ ও ১৬ নম্বর অভিযোগ ধর্ষণের এবং ১৯ নম্বর অভিযোগ ধর্মান্তরিত করার। বাকিগুলো নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ ও লুণ্ঠন এবং এ ধরনের অপরাধে সহযোগিতার অভিযোগ।
অষ্টম অভিযোগ হলো, একাত্তরের ৮ মে ইব্রাহিম কুট্টিকে হত্যা এবং পিরোজপুরের পারেরহাট এলাকায় হিন্দুদের ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগ।
দশম অভিযোগ হলো, একাত্তরের ২ জুন বিসাবালীকে হত্যা এবং উমেদপুর হিন্দুপাড়ার ২৪টি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ।
১৪ নম্বর অভিযোগ হলো, মুক্তিযুদ্ধের শেষ দিকে সাঈদী হোগলাবুনিয়ার হিন্দুপাড়ায় এক নারীকে ধর্ষণ ও বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ।
সাঈদীর বিরুদ্ধে ১৬ নম্বর অভিযোগ, তিন নারীকে অপহরণ করে আটকে রেখে ধর্ষণ।
ধর্মান্তরিত করার ১৯তম অভিযোগ অনুসারে, সাঈদী প্রভাব খাটিয়ে পারেরহাটসহ অন্য গ্রামের ১০০-১৫০ হিন্দুকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণে বাধ্য করেন।
সাঈদীর বিরুদ্ধে ষষ্ঠ অভিযোগ, মাখনলাল সাহার ২২ সের স্বর্ণ লুটের, সপ্তম অভিযোগ, মুক্তিযোদ্ধা শহীদুল ইসলাম সেলিমকে নির্যাতন ও তাঁর বাড়ি লুণ্ঠনের পর অগ্নিসংযোগ।
১১তম অভিযোগ, মুক্তিযোদ্ধা মাহাবুবুল আলম হাওলাদারের বাড়িতে হামলা ও লুণ্ঠন।
ইব্রাহিম কুট্টি ও বিসাবালীকে হত্যার দায়ে সাঈদীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণের দুটি, ধর্মান্তরিত করার একটি এবং লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও নির্যাতনের তিনটি অভিযোগ প্রমাণিত হলেও দুটি অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ায় অন্য অভিযোগগুলোতে আলাদা করে কোনো দণ্ড দেওয়া হয়নি।
সাঈদীর বিরুদ্ধে গঠিত ১ থেকে ৫ এবং ৯, ১২, ১৩, ১৫, ১৭, ১৮ ও ২০ নম্বর অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। এর মধ্যে গণহত্যার চারটি (২, ৪, ১২, ১৫), ধর্ষণের দুটি (১৭ ও ২০) ও হত্যার (১, ৫, ১৩ ও ১৮) চারটি অভিযোগ। বাকি দুটি অভিযোগ লুটপাটের।

জাতীয় এর আরও খবর
সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের বরাদ্দ ২৫ কোটি টাকা করার উদ্যোগ

সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের বরাদ্দ ২৫ কোটি টাকা করার উদ্যোগ

<span style='color:red;font-size:16px;'>ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন</span>	 <br/> ‘তরুণদের কাজে লাগিয়ে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে হবে’

ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
‘তরুণদের কাজে লাগিয়ে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে হবে’

ঠাকুরগাঁওয়ে সংঘাত নয়, সহিষ্ণুতার রাজনীতি চান রাষ্ট্রপতি

ঠাকুরগাঁওয়ে সংঘাত নয়, সহিষ্ণুতার রাজনীতি চান রাষ্ট্রপতি

জনগণের কাছে নিরাপদ খাদ্য পৌঁছে দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য: খাদ্যমন্ত্রী

জনগণের কাছে নিরাপদ খাদ্য পৌঁছে দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য: খাদ্যমন্ত্রী

সালাহ্ উদ্দিন ইবনে শিহাবের ৫টি নাত

সালাহ্ উদ্দিন ইবনে শিহাবের ৫টি নাত

জাতীয় নিরাপত্তাবিষয়ক প্রশিক্ষণ শেষে সেনাপ্রধানের কাছ থেকে সনদ নিলেন নাসের রহমান

জাতীয় নিরাপত্তাবিষয়ক প্রশিক্ষণ শেষে সেনাপ্রধানের কাছ থেকে সনদ নিলেন নাসের রহমান

সর্বশেষ সংবাদ
শ্রীমঙ্গলে বৈদ্যুতিক তারে শক খেয়ে সোনালী হনুমানের মৃত্যু
শ্রীমঙ্গলে বৈদ্যুতিক তারে শক খেয়ে সোনালী হনুমানের মৃত্যু
কমলগঞ্জে জমি বিরোধে বিপাকে ৯ সদস্যের পরিবার
কমলগঞ্জে জমি বিরোধে বিপাকে ৯ সদস্যের পরিবার
সমাজকল্যাণ সচিবের খুলনায় প্রতিবন্ধীসেবা কেন্দ্র পরিদর্শন
সমাজকল্যাণ সচিবের খুলনায় প্রতিবন্ধীসেবা কেন্দ্র পরিদর্শন
ডেঙ্গু প্রতিরোধে বেদে পল্লীতে মশারি, ওষুধ ও খাবার বিতরণ
ডেঙ্গু প্রতিরোধে বেদে পল্লীতে মশারি, ওষুধ ও খাবার বিতরণ
হবিগঞ্জে ৯ ফুট গভীর পরিত্যক্ত কুয়া থেকে দাঁড়াশ সাপ উদ্ধার
হবিগঞ্জে ৯ ফুট গভীর পরিত্যক্ত কুয়া থেকে দাঁড়াশ সাপ উদ্ধার
সুনামগঞ্জে ‘হারায়ে খুঁজি’: আধুনিক বাংলা গানে মুগ্ধ দর্শক
সুনামগঞ্জে ‘হারায়ে খুঁজি’: আধুনিক বাংলা গানে মুগ্ধ দর্শক
নোয়াখালীতে নিরাপত্তাহীনতার শঙ্কায় নোবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা
নোয়াখালীতে নিরাপত্তাহীনতার শঙ্কায় নোবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা
জামায়াত ক্ষমতাকে বড় দেখেছে, বিএনপি আইনকে: হেলাল
জামায়াত ক্ষমতাকে বড় দেখেছে, বিএনপি আইনকে: হেলাল
মাদকসহ আটক খুবির তিন শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার
মাদকসহ আটক খুবির তিন শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার
চুনারুঘাটে সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদের ৩৭ বছর পূর্তিতে ‘বৈচিত্র্যের উৎসব’
চুনারুঘাটে সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদের ৩৭ বছর পূর্তিতে ‘বৈচিত্র্যের উৎসব’
খাগড়াছড়ি সীমান্তে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ভারতীয় মাদক জব্দ
খাগড়াছড়ি সীমান্তে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ভারতীয় মাদক জব্দ
চার ঘণ্টা পর স্বাভাবিক হলো সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ
চার ঘণ্টা পর স্বাভাবিক হলো সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ
সেপ্টেম্বরে শ্রীমঙ্গলে লোকালয় থেকে ২২ বন্যপ্রাণী উদ্ধার
সেপ্টেম্বরে শ্রীমঙ্গলে লোকালয় থেকে ২২ বন্যপ্রাণী উদ্ধার
কুলাউড়ায় খাসিয়া পুঞ্জিতে দুর্বৃত্তদের তাণ্ডব, কাটা পড়ল ৮ হাজার পানগাছ
কুলাউড়ায় খাসিয়া পুঞ্জিতে দুর্বৃত্তদের তাণ্ডব, কাটা পড়ল ৮ হাজার পানগাছ
খাগড়াছড়িতে ২,৩০০ প্রান্তিক কৃষকের হাতে কৃষক কার্ড
খাগড়াছড়িতে ২,৩০০ প্রান্তিক কৃষকের হাতে কৃষক কার্ড
ডেঙ্গু আক্রান্ত খুলনার সিভিল সার্জন, বিভাগে নতুন রোগী ২৫৬
ডেঙ্গু আক্রান্ত খুলনার সিভিল সার্জন, বিভাগে নতুন রোগী ২৫৬
সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকার: তদন্তে মূলহোতা হিসেবে সুমনের নাম
সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকার: তদন্তে মূলহোতা হিসেবে সুমনের নাম
কমলগঞ্জে দুই একনলা বন্দুক উদ্ধার, পুলিশের কাছে হস্তান্তর
কমলগঞ্জে দুই একনলা বন্দুক উদ্ধার, পুলিশের কাছে হস্তান্তর
হবিগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট, দুর্ভোগে যাত্রীরা
হবিগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট, দুর্ভোগে যাত্রীরা
২৩০ পরিবারকে নগদ সহায়তা, ঝুঁকিপূর্ণ পান পুঞ্জিতে নির্মাণ হচ্ছে সিঁড়ি
২৩০ পরিবারকে নগদ সহায়তা, ঝুঁকিপূর্ণ পান পুঞ্জিতে নির্মাণ হচ্ছে সিঁড়ি

© 2025 purbodeek.com

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: আলহাজ্ব মো: চন্দন মিয়া, সম্পাদক : মুজাহিদ আহমদ,
প্রকাশক : আলহাজ্ব হাফিজ সাব্বির আহমদ, উপদেষ্টা মণ্ডলীর সভাপতি : মাও. কামরুল ইসলাম,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: মুহাম্মদ আজির উদ্দিন পাশা, সহযোগী সম্পাদক : সালাহ উদ্দিন ইবনে শিহাব,
সহকারি সম্পাদক: আখতার হোসাইন জাহেদ, মো. রেদওয়ানুল ইসলাম

সম্পাদকীয় কার্যালয়: ২৭০, ওয়াছির প্লাজা, (দ্বিতীয় তলা), চৌমুহনা, এম সাইফুর রহমান রোড, মৌলভীবাজার-৩২০০।
মোবাইল: ০১৭১২৭১৬২৪৪, ০১৭১৯৮৪১৮৬৪, ০১৭০৬৬২৪৬৩২,
ই-মেইল: purbodik11@gmail.com

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh

Go to top