logo
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • স্থানীয় সরকার
    • মৌলভীবাজার
    • সিলেট
  • সাহিত্য-সংস্কৃতি
  • পর্যটন
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • আরও
    • ইসলামী জিন্দেগী
    • পত্রিকা
    • মুক্তমত
    • শিক্ষাঙ্গন
    • সাফল্য
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • মৌলভীবাজার
  • সিলেট
  • প্রবাস
  • অর্থ ও বাণিজ্য
  • স্থানীয় সরকার
  • খেলাধুলা
  • ছড়া সমগ্র
  • পর্যটন
  • নারী ও শিশু
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • বিনোদন
  • মুক্তমত
  • সম্পাদকীয়
  • ইসলামী জিন্দেগী
  • শিক্ষাঙ্গন
  • সাফল্য
  • সাহিত্য-সংস্কৃতি
  • স্বাস্থ্য-কথন
  • পত্রিকা
  • ফটোগ্যালারী
  1. প্রচ্ছদ
  2. ইসলামী জিন্দেগী

গওসুল আযম রহমাতুল্লাহি আলাইহি || অধ্যাপক হাসান আবদুল কাইয়ূম


প্রকাশিত হয়েছে : 15 October 2024, 12:18 pm

শরী’আত তরীকত হকীকত ও মা’রিফাতের সমন্বয়ে যে ইলম সমন্বিত ও বিকশিত হয়েছে তাকে বলা হয় ‘ইলমে তাসাওউফ বা তাসাওউফ বিজ্ঞান। প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম থেকেই ইলমে তাসাওউফ চর্চা সূচিত হয়েছে।

কুরআন মজীদে যে তাযকী য়ায়ে নফ্স এবং হাদীস শরীফে যে ইহ্সানের কথা বলা হয়েছে সেটাই মূলত তাসাওউফের দিকনির্দেশনা প্রদান করে। তাসাওইফ চর্চায় বিভিন্ন পদ্ধতি কালক্রমে কুরআন ও হাদীসের আলোকে বিন্যাসিত হয়েছে যেগুলো তরীকা নামে পরিচিত। কাদিরীয়া তরীকা তরীকাসমূহের মধ্যে বহুল প্রচলিত।

কাদিরীয়া তরীকার ইমাম হচ্ছেন গওসুল আযম আবূ মুহম্মদ মুহিউদ্দীন সৈয়দ আবদুল কাদির জিলানী রহমাতুল্লাহি আলায়হি। তিনি গওসুল আযম হিসেবেই বিশ্বজুড়ে সমধিক পরিচিত। বাংলাদেশে তাঁকে বড়পীর বলা হয়।

গওসুল আযম হযরত আবদুল কাদির জিলানীর ওফাত দিবস পালিত হয় ফাতিহায়ে ইয়াজদহম নামে। ৫৬১ হিজরী মুতাবিক ১১৬৬ খ্রিস্টাব্দের ১১ রবিউস সানী সোমবার রাতের শেষ প্রহরে তিনি ইন্তিকাল করেন। যে কারণে এই ইয়াজদহম অর্থাৎ ১১ বলতে ১১ রবিউস সানীকেই বুঝানো হয় এবং ইয়াজদহম বা ১১ এমন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যায় যে, অনেক কাদিরীয়া খানকা শরীফে প্রত্যেক আরবী মাসগুলোর ১১ তারিখে এগারো শরীফ বা গিয়ারা শরীফ পালিত হয়।

গওসুল আযম আবূ মুহম্মদ মুহিউদ্দীন সৈয়দ আবদুল কাদির জিলানী রহমাতুল্লাহি আলায়হি এমন এক যুগসন্ধিক্ষণে আবির্ভুত হন যখন গ্রিক ও ভিনধর্মী দর্শন মুসলিম শিক্ষা ও চিন্তা জগতে বিভ্রান্তির কালো থাবা বিস্তার করছিল। শিরক, কুফর ও বিদ’আত নিত্যনবরূপে সঞ্চারিত হচ্ছিল মুসলিম মননে। অন্ধবিশ্বাস ও কুসংস্কার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছিল। তওহীদ ও রিসালতের পথ থেকে কেউ কেউ ছিটকে পড়ার উপক্রমে নিপাতিত হচ্ছিল। অন্যদিকে খ্রীস্টান জগত তদানিন্তন মসুলিম দুনিয়াকে ধ্বংস করবার জন্য সংঘবদ্ধ হবার চেষ্টায় মেতে উঠছিল। সেই সময় তাঁর মতো একজন মুজাদ্দিদের, একজন মহান সংস্কারকের, একজন পথ প্রদর্শকের, একজন মহান ব্যক্তিত্বের আবির্ভাব হওয়া খুবই জরুরী হয়ে পড়েছিল। একজন মহান গওস, একজন গওসুল আযম, একজন দ্বীনকে পুনর্জীবিতকারি  তথা মুহিউদ্দীন হয়ে তিনি আবির্ভূত হলেন।

তিনি জন্মগ্রহণ করে ১০৭৭ খ্রিস্টাব্দ মুতাবিক ৪৭০ হিজরীর রমাদান মাসের পহেলা তারিখ সাহরীর ওয়াক্তে পারস্যের অনত্মর্গত কাস্পিয়ান সাগরের উপকূলবর্তী জিলান বা গীলান অঞ্চলের নায়ক নামক স্থানে হযরত ইমাম হাসান রাদিআল্লাহু তা’আলা আনহুর বংশ ধারায় এক ঐতিহ্যবাহী সৈয়দ পরিবারে। তার আম্মাজান সৈয়দা উম্মুল খায়ের ফাতিমা রহমাতুল্লাহি আলায়হাও ছিলেন হযরত ইমাম হুসাইন রাদিআল্লাহু তা’আলা আনহুর বংশধারার এক ঐতিহ্যবাহী সৈয়দ পরিবারের কন্যা।

গওসুল আযম রহমাতুল্লাহি আলায়হির আব্বাজান সৈয়দ আবূ সালিহ্ মূসা জঙ্গি রহমাতুল্লাহি আলায়হি ছিলেন সে যুগের একজন বিখ্যাত সূফী এবং আম্মাজানও ছিলেন মশহুর হাফিজা ও আবিদা।

গওসুল আযম রহমাতুল্লাহি আলায়হি শৈশবেই পিতৃহারা হন, অতি শৈশবেই তিনি কুরআন মজীদ হিফজ করেন। ভিন্নমতে মাতৃগর্ভ থাকাকালেই কুরআন মজীদের ১৮ পারা হিফজ করেন কারণ তাঁর আম্মাজান হাফিজা ছিলেন, তাঁর অসাধারণ প্রতিভার কথা তাঁর শৈশবকালেই ছড়িয়ে পড়ে।

তিনি মায়ের কাছ থেকে কুরআন-হাদীসের প্রাথমিক ইলম হাসিল করেন এবং স্থানীয় মাদরাসায় ভর্তি হয়ে অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে লেখাপড়া করে ইসলাম বিষয়ে প্রচুর জ্ঞান লাভ করেন অতঃপর উচ্চশিক্ষা অর্জনের জন্য বাগদাদ শরীফ গমন করেন। বাগদাদ শরীফে যাবার পথে তিনি একদল ডাকাতের মুখোমুখি হন। তাঁর সত্যবাদিতা দেখে ডাকাত দল বিস্ময়ে অভিভূত হয় এবং তওবা করে ডাকাতি করা ছেড়ে দেয় ও পুরো ইসলামী জীবনে ফিরে আসে। ডাকাত দলের মধ্যে এই পরিবর্তন আনয়ন করা যে গওসুল আযম রহমাতুল্লাহি আলায়হির একটা বড় কারামত তা বলাই যায়।

তিনি বাগদাদ শরীফে এসে এখানকার যুগ শ্রেষ্ঠ আলিমগণের কাছ থেকে উচ্চতর বিদ্যা অর্জন করেন এবং ইলমে জাহিরের সর্ববিষয়ে অগাধ পান্ডিত্য অর্জন করেন। প্রথমে তিনি ইলমে তাসাওউয়ের তা’লীম গ্রহণ করেন বিখ্যাত সূফী হযরত আবুল মুহম্মদ আদ্দাব্বাস রহমাতুল্লাহি আলায়হির নিকট থেকে। হযরত আবূ খায়ের মুহম্মদ আদ্দাব্বাস রহমাতুল্লাহি আলায়হি তাঁর রূহানী শক্তির ঔজ্জ্বল্য অবলোকন করে বলেছিলেন : আবদুল কাদিরের মধ্যে এমন এক প্রতিভা রয়েছে যা তাঁকে অচিরেই কামালিয়তের উচ্চ-মাকামে অধিষ্ঠিত করবে এবং সর্বশ্রেষ্ঠ সূফীতে পরিণত করবে।

গওসুল আযম রহমাতুল্লাহি আলায়হি আল্লাহ্‌র নৈকট্য ও সন্তুষ্টি হাসিলের জন্য কামালতের উচ্চ মাকামে পৌঁছুতে কঠোর পরিশ্রম করেন। এমনকি জঙ্গলে জঙ্গলে ঘুরে ঘুরে মুরাকারা-মুশাহাদা রত হন। তিনি এই সময় খাওয়া-দাওয়া প্রায় ছেড়ে দেন, গাছের পাতা খেয়ে ক্ষুধার জ্বালা নিবারণ করেন। জানা যায়, অনেক বছর তিনি বাগদাদ শরীফের বাইরে টিলার উপর একটা জীর্ণ কুটিরে অবস্থান করে ইবাদত বন্দেগির মধ্য দিয়ে অতিবাহিত করেন। একদিন তিনি প্রতিজ্ঞা করেন যে, ৪১ দিন তিনি পানাহার করবেন না। যদি আল্লাহ্‌র তরফ থেকে কেউ এসে তাঁর মুখে খাবার নিজ হাতে খাবার তুলে দেন তাহলে তিনি খাদ্য গ্রহণ করবেন। এইভাবে চল্লিশ দিন অতিবাহিত হলো। এক চল্লিশ দিনে বাগদাদ শরীফের প্রখ্যাত আলিম ও পূর্ণ কামালত প্রাপ্ত সূফী হযরত আবূ সাঈদ মাখযুমী রহমাতুল্লাহি আলায়হি এসে তাঁর মুখে নিজ হাতে খাবার তুলে দিলে তিনি তা গ্রহণ করলেন। তিনি তাঁকে নিজ গৃহে নিয়ে গেলেন এবং তাঁর মুরীদ করে নিলেন। এই মহান সূফীর কাছ থেকে জিলানী রহমাতুল্লাহি আলায়হি তাসাওউফে পূর্ণতা হাসিলের সনদ প্রাপ্ত হন এবং পীরত্বের খিরকা লাভ করেন।

মুহিউদ্দীন সৈয়দ আবদুল কাদির জিলানী রহমাতুল্লাহি আলায়হির কামালিয়তের কথা বিদ্যুৎ বেগে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর দরবারে লোকজনের ভিড় দিনকে দিন বাড়তেই লাগল। একদিন স্বপ্নে সরকারে দোলাম নূরে মুজাসসাম প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম তাকে ওয়াজ করে মানুষকে সৎপথের দিশা দিবার নির্দেশ দিলেন। এরপর থেকে তিনি সপ্তাহে তিনদিন ওয়াজ মহফিলের আয়োজন করতেন। তাঁর ওয়াজ শোনবার জন্য সর্বস্তরের মানুষ দলে দলে এসে সমবেত হতো। তিনি অতি উত্তম বাগ্মিপুরুষ  ছিলেন। লোকজন তাঁর মধুর বাণী এবং সুমিষ্ট ওয়ায ঘণ্টার পর ঘণ্টা মোহিত হয়ে শুনত। তাঁর ওয়াজে এমন এক মোহনীয় শক্তি ছিল যা শুনে সবাই লাভবান হতো।

গওসুল আযম আবূ মুহম্মদ মুহিউদ্দীন সৈয়দ আবদুল কাদির জিলানী রহমাতুল্লাহি আলায়হি বিন্যাসিত কাদিরীয়া তরীকা তিন ধারায় এসে তাতে সমন্বিত হয়েছে। প্রত্যেক ধারার মূল উৎস প্রিয় নবী সাল্লাল্লহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম। একটি ধারা প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম থেকে হযরত আলী করমাল্লাহু ওয়াজহাহু হয়ে পরম্পরাগতভাবে গওসুল আযম রহমাতুল্লাহি আলায়হি পর্যন্ত পৌঁছে। একইভাবে দ্বিতীয় ধারাটি হযরত আবূ বকর সিদ্দিক রাদিআল্লাহু তা’আলা আনহু হয়ে তাঁর নিকট পৌঁছে। তৃতীয় ধারাটি হযরত খিযির আলায়হিস সালামের সঙ্গে সম্পৃক্ত। এই তিনটি নিসবত লাভ করেন গওসুল আযম রহমাতুল্লাহি আলায়হি। এই তিনটি নিসবতের সমন্বয় ঘটেছে কাদিরীয়া তরীকা। কাদিরীয়া তরীকা প্রসারিত হয়েছে পৃথিবীর সর্বত্র। এটাই শ্রেষ্ঠ তরীকা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। সারা পৃথিবীতে কাদিরীয়া তরীকার নিসবত বা সম্বন্ধ অনুযায়ী অসংখ্য খানকা শরীফ রয়েছে। আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় সবগুলো দেশে বিশেষ করে মিসর, লিবিয়া, সুদান, নাইজার, নাইজিরিয়া, মালী, তিউনিসিয়া, মরক্কো, মৌরিতানিয়া প্রভৃতি দেশে এই তরীকার ব্যাপক চর্চা রয়েছে। এশিয়া মহাদেশে এবং ইউরোপ ও আমেরিকাতেও এর চর্চা রয়েছে। বাংলাদেশে কাদিরীয়া তরীকা বয়ে আনেন হযরত শাহজালাল রহমাতুল্লাহি আলায়হি।

বাংলা ভাষায় গওসুল আযমের কয়েকখানি গ্রন্থের তরজমা বের হয়েছে। এ ছাড়াও এখানে কাদিরীয়া তরীকার ওপর বেশ কয়েকখানি বই প্রকাশিত হয়েছে।

গওসুল আযম রহমাতুল্লাহি আলায়হির গ্রন্থরাজির মধ্যে উলেস্নখযোগ্য হচ্ছে : ফতহুল গায়ব, ফতহুর রাব্বানী, সিররুল আসরার, গুনিয়াতুত্‌ ত্বালিবীন, কাসিদায়ে গাউসিয়া প্রভৃতি।

তিনি বছরের পর বছর ‘ঈশার সালাতের অজু দিয়ে ফজরের সালাত আদায় করতেন। ফারুকে আযম যেমন হযরত উমর রাদিআল্লাহু তা’আলা আনহু ইমামে আযম যেমন ইমাম আবূ হানিফা রহমাতুল্লাহি আলায়হি তেমনি গওসুল আযম হচ্ছেন হযরত আবদুল কাদির জিলানী রহমাতুল্লাহি আলায়হি। তিনি তাঁর এক কাসিদায় বলেছেন: ওয়া আলামি কুলিস্ন রাসিল জিবালি – প্রতিটা পর্বত শীর্ষে ওড়ে বিজয় পতাকা আমার।

লেখক : পীর সাহেব দ্বারিয়াপুর

ইসলামী জিন্দেগী এর আরও খবর
সালাহ্ উদ্দিন ইবনে শিহাব-এর মদিনা সিরিজ এর ৫টি গজল

সালাহ্ উদ্দিন ইবনে শিহাব-এর মদিনা সিরিজ এর ৫টি গজল

সালাহ্ উদ্দিন ইবনে শিহাবের ৫টি নাত

সালাহ্ উদ্দিন ইবনে শিহাবের ৫টি নাত

আধুনিক কতিপয় কওমী সমাজ এবং মীলাদ বিরোধিতা : দেওবন্দের উত্তরাধিকার, নাকি লা-মাযহাবি প্রভাব?

আধুনিক কতিপয় কওমী সমাজ এবং মীলাদ বিরোধিতা : দেওবন্দের উত্তরাধিকার, নাকি লা-মাযহাবি প্রভাব?

কুলাউড়ায় ভূকশিমইল ইউনিয়ন তালামীযের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত 

কুলাউড়ায় ভূকশিমইল ইউনিয়ন তালামীযের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত 

কুলাউড়া উপজেলা তালামীযের ঈদ পুনর্মিলনী ও দায়িত্বশীল বৈঠক অনুষ্ঠিত

কুলাউড়া উপজেলা তালামীযের ঈদ পুনর্মিলনী ও দায়িত্বশীল বৈঠক অনুষ্ঠিত

<span style='color:red;font-size:16px;'>জান্নাতুল বাকি কবরস্থানে দাফন</span>	 <br/> ৫০ বছর ধরে মসজিদে নববীতে কোরআন পড়ানো শিক্ষক আবদুল্লাহ হাজি মারা গেছেন

জান্নাতুল বাকি কবরস্থানে দাফন
৫০ বছর ধরে মসজিদে নববীতে কোরআন পড়ানো শিক্ষক আবদুল্লাহ হাজি মারা গেছেন

সর্বশেষ সংবাদ
শ্রীমঙ্গলে দেশের আগাম দুর্গাপূজা শুরু, নয় রূপে দেবীর আরাধনা
শ্রীমঙ্গলে দেশের আগাম দুর্গাপূজা শুরু, নয় রূপে দেবীর আরাধনা
দাকোপে বেড়িবাঁধ ভেঙে ১৩ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত
দাকোপে বেড়িবাঁধ ভেঙে ১৩ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত
ডুমুরিয়ায় দুই মন্দিরে ৩৫৩ প্রতিমার আয়োজন
ডুমুরিয়ায় দুই মন্দিরে ৩৫৩ প্রতিমার আয়োজন
সাজেকে অবরোধ প্রত্যাহার, পর্যটন বন্ধ ঘোষণ
সাজেকে অবরোধ প্রত্যাহার, পর্যটন বন্ধ ঘোষণ
মাগুরায় রাতের আঁধারে হাজার কলাগাছ কেটে সাবাড়
মাগুরায় রাতের আঁধারে হাজার কলাগাছ কেটে সাবাড়
নার্সারি পুঞ্জিতে পানগাছ কর্তন, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে পুলিশ
নার্সারি পুঞ্জিতে পানগাছ কর্তন, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে পুলিশ
সিংগাইরে সংখ্যালঘু পরিবারের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
সিংগাইরে সংখ্যালঘু পরিবারের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
সুন্দরবনে আলিফ বাহিনীর ১৫ জলদস্যুর আত্মসমর্পণ
সুন্দরবনে আলিফ বাহিনীর ১৫ জলদস্যুর আত্মসমর্পণ
কেসিসির উদ্যোগে ৭৭ পূজামণ্ডপে অনুদান প্রদান
কেসিসির উদ্যোগে ৭৭ পূজামণ্ডপে অনুদান প্রদান
শ্রীমঙ্গলে ‘অহং ব্রহ্মাস্মি’ নৃত্যকাব্যে মুগ্ধ দর্শক
শ্রীমঙ্গলে ‘অহং ব্রহ্মাস্মি’ নৃত্যকাব্যে মুগ্ধ দর্শক
বই পড়ে ল্যাপটপ পেলেন ৮ শিক্ষার্থী
বই পড়ে ল্যাপটপ পেলেন ৮ শিক্ষার্থী
শ্রীমঙ্গলে দুর্গাপূজা উপলক্ষে হরিজন পল্লির শিশুদের নতুন পোশাক বিতরণ
শ্রীমঙ্গলে দুর্গাপূজা উপলক্ষে হরিজন পল্লির শিশুদের নতুন পোশাক বিতরণ
মাগুরায় ২৮ হাজার ইয়াবা ও প্রায় ২০ লাখ টাকা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১
মাগুরায় ২৮ হাজার ইয়াবা ও প্রায় ২০ লাখ টাকা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১
মদনে বিদ্যালয় রক্ষা প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ
মদনে বিদ্যালয় রক্ষা প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ
পেশিশক্তি নয়, জ্ঞান দিয়ে আদর্শ প্রতিষ্ঠা করতে হবে: হুইপ বকুল
পেশিশক্তি নয়, জ্ঞান দিয়ে আদর্শ প্রতিষ্ঠা করতে হবে: হুইপ বকুল
সিংগাইরে স্ত্রীর ছুরিকাঘাতে স্বামীর মৃত্যু
সিংগাইরে স্ত্রীর ছুরিকাঘাতে স্বামীর মৃত্যু
সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার
সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার
কেসিসির চালকের ধাক্কায় কেসিসির অপর চালক নিহত
কেসিসির চালকের ধাক্কায় কেসিসির অপর চালক নিহত
সুন্দরবনে পর্যটকবাহী জাহাজে ডাকাতির ঘটনা ঘটেনি: বন অধিদপ্তর
সুন্দরবনে পর্যটকবাহী জাহাজে ডাকাতির ঘটনা ঘটেনি: বন অধিদপ্তর
খাগড়াছড়িতে বিজিবির জব্দ করা ৩ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস
খাগড়াছড়িতে বিজিবির জব্দ করা ৩ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস

© 2025 purbodeek.com

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: আলহাজ্ব মো: চন্দন মিয়া, সম্পাদক : মুজাহিদ আহমদ,
প্রকাশক : আলহাজ্ব হাফিজ সাব্বির আহমদ, উপদেষ্টা মণ্ডলীর সভাপতি : মাও. কামরুল ইসলাম,
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: মুহাম্মদ আজির উদ্দিন পাশা, সহযোগী সম্পাদক : সালাহ উদ্দিন ইবনে শিহাব,
সহকারি সম্পাদক: আখতার হোসাইন জাহেদ, মো. রেদওয়ানুল ইসলাম

সম্পাদকীয় কার্যালয়: ২৭০, ওয়াছির প্লাজা, (দ্বিতীয় তলা), চৌমুহনা, এম সাইফুর রহমান রোড, মৌলভীবাজার-৩২০০।
মোবাইল: ০১৭১২৭১৬২৪৪, ০১৭১৯৮৪১৮৬৪, ০১৭০৬৬২৪৬৩২,
ই-মেইল: purbodik11@gmail.com

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh

Go to top