শ্রীমঙ্গলে অবসরে গেলেন ৫৩ শিক্ষক, পেলেন সম্মাননা
প্রকাশিত হয়েছে : 12 September 2026, 11:19 pm

ছবি: পূর্বদিক
শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫৩ জন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষককে বিদায় সংবর্ধনা ও সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ১৩ জন প্রধান শিক্ষক ও ৪০ জন সহকারী শিক্ষক রয়েছেন।
একই অনুষ্ঠানে উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত ছয় শিক্ষক-শিক্ষিকাকেও সম্মাননা দেওয়া হয়। তাঁরা হলেন—পূরবী দেবী, অলক পাল, সর্বানী রানী দেব, লায়লা নূর, নজরুল ইসলাম ও একরামুল কবীর।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শ্রীমঙ্গল উপজেলা পরিষদের হলরুমে বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতি, শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার উদ্যোগে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং তাঁদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতি, শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার সভাপতি মো. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. আনিছুর রহমান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন মৌলভীবাজারের অবসরপ্রাপ্ত সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কিশলয় চক্রবর্তী, বিএনপি শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার আহ্বায়ক মো. নুরুল আলম সিদ্দিকী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার আহ্বায়ক মহিউদ্দীন জারু।
অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতি, শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক তপন কুমার বৈদ্য।
বক্তব্য দেন ভিক্টোরিয়া উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অয়ন চৌধুরী, সরকারি শিক্ষিকা রেখা রানী সিং, প্রধান শিক্ষক সমিতির মৌলভীবাজার জেলা শাখার সভাপতি জহর তরফদার, সাধারণ সম্পাদক কল্যাণ দেব ও সম্পাদক খন্দকার জাকির হোসেন।
প্রধান অতিথি মো. আনিছুর রহমান বলেন, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকরা দীর্ঘ কর্মজীবনে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে সমাজে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের জ্ঞানের পথে এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি তাদের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটিয়ে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলেছেন। তাঁদের অবদান কখনো অবসরের নয়।
বক্তারা বলেন, শিক্ষকরা শুধু শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করেন না, শিক্ষার্থীদের ভালো মানুষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবেও গড়ে তোলেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও বিদায়ী শিক্ষকরা নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করেছেন। শিক্ষা ও সমাজ গঠনে তাঁদের অবদান দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
পূর্বদিক/এসএ





