র্যাবের অভিযানে সিলেটে অপহরণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার, কিশোরী উদ্ধার
প্রকাশিত হয়েছে : ৫ আগস্ট ২০২৬, ১০:৩৪ অপরাহ্ণ

ছবি: পূর্বদিক
নিজস্ব প্রতিনিধি: র্যাব-৯-এর অভিযানে হবিগঞ্জের মাধবপুর থেকে অপহৃত এক কিশোরীকে উদ্ধার এবং মামলার প্রধান আসামি আরাফাত ইসলাম শুভ (২০)কে গ্রেফতার করা হয়েছে।
র্যাব-৯ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরী হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রধান আসামি আরাফাত ইসলাম শুভ ও তার সহযোগী ফারুক মিয়া দীর্ঘদিন ধরে কিশোরীর বাড়ির আশপাশে ঘোরাফেরা করতেন এবং বিভিন্ন সময় তাকে প্রেমের প্রস্তাব ও শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের কুপ্রস্তাব দিতেন।
বিষয়টি জানতে পেরে কিশোরীর বাবা অভিযুক্তদের পরিবারের সদস্যদের অবহিত করলে তারা ভবিষ্যতে এমন ঘটনা আর ঘটবে না বলে আশ্বাস দেন। কিন্তু এরপরও অভিযুক্তরা কিশোরীকে বিভিন্নভাবে বিরক্ত ও হয়রানি করতে থাকে।
গত ৪ জুন ২০২৬ সকাল প্রায় ৮টার দিকে কিশোরী প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার পথে শাহাজাহানপুর ইউনিয়ন পরিষদসংলগ্ন জজ মিয়ার মার্কেট এলাকায় পৌঁছালে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা আসামিরা তাকে জোরপূর্বক একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরে কিশোরীর বাবা মাধবপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর থেকেই র্যাব-৯ ঘটনাটির ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে।
এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯-এর সিপিসি-৩, শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্প এবং সিপিএসসি, সিলেটের যৌথ আভিযানিক দল গত ৪ আগস্ট ২০২৬ বিকেল ৫টা ১০ মিনিটে সিলেট মহানগরের শাহপরাণ (রহ.) থানাধীন মুরাদপুর এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি আরাফাত ইসলাম শুভকে গ্রেফতার করা হয় এবং অপহৃত কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আরাফাত ইসলাম শুভ (২০) মাধবপুর উপজেলার রতনপুর গ্রামের নূর ইসলামের ছেলে।
র্যাব জানায়, পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতারকৃত আসামি ও উদ্ধার হওয়া কিশোরীকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এদিকে, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র্যাব-৯-এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
পূর্বদিক/এসএ





