কুরআন-সুন্নাহর আলোকে জীবন সাজিয়ে বৈষম্যহীন সমাজ গড়া সম্ভব
প্রকাশিত হয়েছে : 16 September 2026, 5:59 pm

ছবি: পূর্বদিক
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও মৌলভীবাজার জেলা আমীর ইঞ্জিনিয়ার এম. শাহেদ আলী বলেছেন, কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে জীবন সাজিয়ে আধুনিক যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে একটি সোনালি সমাজ ও রাষ্ট্র গড়ে তোলা সম্ভব।
তিনি বলেন, “আধুনিক জাহেলিয়াতের যুগে আমরা যদি কুরআন ও সুন্নাহ মোতাবেক আমাদের জীবনকে সাজাতে পারি, তাহলে আজকের আধুনিক যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে একটি সোনালি সমাজ ও রাষ্ট্র গড়ে তোলা সম্ভব। এই চেষ্টাই জামায়াতে ইসলামী গত ৫৪ বছর ধরে বাংলাদেশে করে আসছে। আমরা যদি কুরআন-সুন্নাহর আলোকে জীবন, সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনা করতে পারি, তাহলে সমাজে বিদ্যমান বৈষম্য ও অব্যবস্থাপনা থাকবে না, ইনশাআল্লাহ।”
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ৪ নম্বর কাগাবলা ইউনিয়নের কাগাবলা বাজারে আয়োজিত দাওয়াতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি ফয়েজ আহমদের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি সুমন আহমদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার সদর উপজেলা জামায়াতের আমীর মো. ফখরুল ইসলাম এবং উপজেলা কর্ম ও শুরা সদস্য দেওয়ান আশিক আল রশিদ চৌধুরী।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়নের সহসভাপতি অলিউর রহমান তালুকদার, আমতৈল ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি আশরাফুল ইসলাম এবং যুব বিভাগের ইউনিয়ন সভাপতি শরফ উদ্দীনসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
বক্তব্যে এম. শাহেদ আলী আরও বলেন, “২০২৪ সালে একটি গণঅভ্যুত্থান হয়েছিল। সেখানে শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত সবাই রাস্তায় নেমে এসেছিল। তাদের চাওয়া-পাওয়ার মধ্যে টাকা-পয়সা, ধন-দৌলতের বিষয় ছিল না। তারা চেয়েছিল একটি পরিবর্তনশীল ও বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ।”
তিনি বলেন, “দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা লক্ষ্য করছি, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। এ দেশের জনগণ পরিবর্তনের প্রত্যাশায় দুটি ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছিল। সবাই নিজ দায়িত্বে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট প্রয়োগ করেছিল। কিন্তু রাত ১২টার পর থেকে ফলাফল পরিবর্তন করতে শুরু করে।”
এম. শাহেদ আলী বলেন, “দেশের স্থিতিশীল পরিবেশ বজায় রাখার জন্য আমাদের আমীরে জামায়াত তা মেনে নিয়েছিলেন। আমাদের প্রত্যাশা ছিল, নতুন সরকার গঠনের পর জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষাকে মূল্যায়ন করে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে।”
দাওয়াতি সভা শেষে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার প্রবীণ রুকন আনোয়ার হোসেনের বাড়িতে গিয়ে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এম. শাহেদ আলী।
পূর্বদিক/এসএ





